কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম , কোরবানি কার উপর ফরজ

কোরবানি ( কুরবানী ) দেওয়ার সঠিক নিয়ম , কোরবানি কার উপর ফরজ , কোরবানি সম্পর্কিত সকল তথ্য আজ আপনাকে জানাবো এই পোস্টে আপনি কুরবানী সম্পর্কিত সকল তথ্য পেয়ে যাবেন । এখানে আমরা কুরবানী কার উপর ফরজ সঠিক নিয়মে কিভাবে কোরবানি করতে হয় কোরবানির সঠিক সময় কোরবানি গোশতের সঠিক বন্টন পদ্ধতি কত ভাগে কুরবানী দেওয়া যাবে কত টাকা থাকলে কোরবানি দিতে হবে কোরবানির পশু জবাই করার পদ্ধতি ও দোয়া কোরবানির সময় যে ভুলগুলো করবেন না আজ এই সকল বিষয়গুলো আপনাকে জানাবে যাতে আপনি সঠিক নিয়মে কুরবানী দিতে পারেন । সঠিক নিয়মে কোরবানি দিতে আমাদের সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন ।

কোরবানির সকল নিয়ম সূচিপত্র 

  • কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম 
  • কোরবানি কার ওপর ফরজ 
  • যে কাজগুলোর কারণে কোরবানি হবে না 
  • কোরবানি গোশতের সঠিক বন্টন পদ্ধতি 
  • সর্বোচ্চ কয় ভাগে কোরবানি করা যাবে 
  • কোরবানি করার দোয়া 
  • সর্বনিম্ন কত টাকা থাকলে কোরবানি দিতে হবে 
  • কোরবানির পশু কেমন হবে 
  • কোরবানি দেওয়ার সঠিক সময়  
  • কোরবানি না করলে কি হবে 

কোরবানির সম্পর্কিত এই সকল তথ্য আপনাকে জানাবো সকল তথ্যগুলো জানতে আমাদের সম্পূর্ণ পোস্ট টি পড়ুন।

কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম 

আমরা অনেকেই জানিনা কোরবানি দেওয়া সঠিক নিয়ম গুলো । এখানে আমি আপনাদের জানাবো সঠিকভাবে কিভাবে আপনি কোরবানি করবেন। কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম গুলো হল আপনাকে হালাল টাকা দিয়ে কোরবানি দিতে হবে , আপনার পশুটি যেন অসম্পূর্ণ হালাল টাকায় ক্রয় করা হয় । আপনি যদি ভাগে কোরবানি দিয়ে থাকেন তাহলে আপনার ভাগের মধ্য কারও নিয়ত ভুল হলে কোরবানি হবে না । আপনার কোরবানির পশু জেনো শারীরিক দৈহিকভাবে সুস্থ হয়। আপনার পশু যদি কান কাটা থাকে বা কান ছিদ্র থাকে তাহলে সেই পশু দিয়ে কোরবানি হবে না আপনি যদি কোরবানি শুধু লোক জানানোর জন্য করেন তাহলে কোরবানি হবে না আপনাকে কোরবানি করতে হবে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য আপনার কোরবানির পশু বয়স্ক শক্তি নেই এরকম পশু যেটা চলতে পারে না যে পশু অন্ধ এমন পশু দিয়ে কোরবানি হবে না । কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম গুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং এই নিয়মে কোরবানি করুন ।

কোরবানি কার উপর ফরজ 

কোরবানি কারো উপর ফরজ নয় , কোরবানি হচ্ছে ওয়াজিব।

ওলামায়ে কেরামের অনেকেই বলে কোরবানি করা সকলের জন্যই জরুরী যাদের সামর্থ্য আছে ঈদের দিন বা পরবর্তী দিনগুলোতে যেদিন কোরবানি করা যায় এই সময়ের মধ্যে যার কাছে নেসা পরিমাণ টাকা আছে তার জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব জরুরী বাধ্যতামূলক। যদি সামর্থ্য আছে তবু কোরবানি না করে তাহলে গুনাহ হবে। একটি প্রসিদ্ধ হাদিসে বলা হয়েছে নবী রাসুল সাঃ বলেছেন যে ব্যক্তির কোরবানি করার সামর্থ্য আছে সক্ষমতা আছে সে ব্যক্তি যদি কোরবানি না করে তাহলে সেই ব্যক্তি যেন আমাদের ঈদগা ময়দানে না আসে নামাজ পড়তে। আরেকটি হাদিসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন প্রত্যেক লোকের পরিবার এর ওপর একটি করে কোরবানি ওয়াজিব। অনেক ওলামায়ে কেরাম বলেছেন কোরবানি করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা এখানে ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদার মধ্য বেশি তারতম ব্যবধান নেই । এর অর্থ আমাদের কোরবানি করার সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই কোরবানি করতে হবে । ( কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম )

কোরবানি না হওয়ার কারণগুলো 

রাসুল সাঃ বলেছেন কোরবানির পশু যেন কোন ব্যথা না পায় আরো বলেছেন কোরবানির পশুর যেন কষ্ট না হয় এর জন্য রাসূল সাঃ বলেছেন তোমরা ছুরি ধার ধার দাও তবে পশুর সামনে ছুরি ধার দিওনা আড়ালে ধার দিও । আমাদের কোরবানির পশু যেন হালাল টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয় কোরবানির পশুর যদি কোনো সুদ বা হারাম টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয় তাহলে সে পশু কোরবানি হবে না ।

কোরবানির পশুর মধ্যে কোন খুদ থাকা চলবে না কুরবানীর পশুর যেন নিখুঁত হয় অসুস্থ পশু বা কোন রোগ বা শরীর ক্ষত অন্ধ পশু এবং খোঁড়া পশু যে পশু চলতে পারে না পশুর কান কাটা থাকলে পশুর কোরবানির মাঠ পর্যন্ত যেতে না  পারে এরকম পশু কোরবানি হবে না পশুর নাক কাটা থাকলে কোরবানি হবে না । পুরোপুরি সুস্থ পশু কোরবানি করতে হবে যদি তা না হয় তাহলে কোরবানি হবে না তাই পরশু ক্রয় করার আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নেবেন।

কোরবানির পশুর বয়স জেনে  কোরবানি করতে হবে গরু সর্বনিম্ন দুই বছর ছাগল এক বছর উট ৫ বছর হতে হবে। তবে ভেড়া, দুম্বা, মেস এগুলো ছয় মাস হলেও বা এক বছর হয় তাহলেও চলবে তবে স্বাস্থ্য যেন ভালো হয় । আপনি প্রচুর বয়স প্রচুর দুদিকের দুই ধারালো দাঁত গজিয়েছে কিনা এটা দেখে পশুর বয়স নির্ধারিত করতে পারবেন ।

আমরা অনেকেই যৌথভাবে কোরবানি দিয়ে থাকি সাত ভাগে কুরবানী দিয়ে থাকি এই সাত ভাগে কুরবানী দেওয়ার সময় সবার নিয়ত এক থাকতে হবে কোরবানি শুধুমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্যই করা হচ্ছে। কারো মনে যদি ত্রুটি থাকে যে আল্লাহর কারণে নয় মাংস খেতে বা সোনামের জন্য কোরবানি করে থাকে তাহলে কোরবানি হবে না।

এই যৌথভাবে কোরবানি দেওয়ার সময় কারো টাকায় যদি হারাম থাকে এবং সেই টাকা দিয়ে যদি কোরবানির পশু ক্রয় করা হয় তাহলে সে পশু দিয়ে কোরবানি হবে না । হারানো পর্যন্ত কোরবানি হবে না। লৌকিকতা থাকলেও কোরবানি হবে না যৌথভাবে কোরবানির ক্ষেত্রে যদি কোন ভাগই বলে আমাদের পশু সবথেকে বড় এবং এটি রোটিয়ে বেড়ায় সবাইকে এগিয়ে গিয়ে বলে তাহলে কোরবানি হবে না ।

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেন যখন তুমি পশু কোরবানি করবে তখন তার সাথে ভালো ব্যবহার করবে । কুরবানীর পশু জবাই করার আগে যারা পশুকে ধরে আছে এবং যে পশু জবাই করবে তারা জবাই করার আগে বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার বলে বলে যেন জবাই করে । কোরবানি দেওয়ার সময় কোরবানির পশুর রগ যেন কাটা হয় সেটা হলো শ্বাসনালী খাদ্যনালী দুপাশের দুই রগ কাটতে হবে এই রগ গুলো কেটে আপনাকে কোরবানির সম্পূর্ণ করতে হবে।

আমাদের মধ্যে অনেকেই কোরবানির পশু জবাই করার পরে তার কণ্ঠনালীর ওই জায়গায় ছুরি দিয়ে আঘাত করে এটা করা যাবে না কারণ এটি করলে কোরবানির পশু ঘাড়ে স্ট্রোক করবে এবং স্ট্রোকের কারণে মারা যায় তাহলে তো এটা জবাইয়ের কারণে মারা গেল না তার জন্য আমাদের সাবধান হতে হবে । জবাই করার পরে তার শ্বাসনালীর ওপর আবার ছুরি দিয়ে আঘাত না করি।

আমরা অনেক সময় পশু জবাইয়ের পর সাথে সাথে তার পা কেটে দি এটা করা যাবে না কারণ তার জান এখনো বের হয়ে যায়নি পশুর জান বের হয়ে যাওয়ার পর তার পা এবং মাংস কাটবেন । ঈদের নামায আদায়ের পর থেকে কোরবানি করতে হবে ঈদের নামাজের আগে কোরবানি হবে না।

কোরবানি গোশতের সঠিক বন্টন পদ্ধতি 

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন কোরবানির গোশত তোমরা নিজেরা খাও অন্যদের খাওয়াও এবং তোমরা এটাকে জমিয়ে রাখতে পারো। উত্তম হচ্ছে এক ভাগ নিজে খাওয়া এক ভাগ আত্মীয়-স্বজনদের খাওয়ানো এক ভাগ গরিব মিসকিনদের বন্টন করে দেওয়া । কোরবানির গোস্তে যেন কোন রকম ময়লা আবর্জনা না থাকে এমন ভাবে সবাইকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন গোস্ত বিলিয়ে দিতে হবে।

সর্বোচ্চ কয় ভাগে কোরবানি করা যাবে 

(কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম ) সর্বোচ্চ সাত ভাগে কুরবানী করা যায় , আমাদের অনেকেই ভেবে থাকে ভাগে কুরবানী দেওয়া যাবে না বা অনেকে বলে থাকে ভাগে কুরবানী হবে না কিন্তু এটা ভুল । আপনি নিঃসন্দেহে সাতজন ভাগি নিয়ে কোরবানি করতে পারবেন এটি জায়েজ আছে ।

একটি গরু উট বা মহিষে আপনি সর্বোচ্চ সাত জনের ভাগই হিসাবে কোরবানি করতে পারবেন । তবে এখানে কিছু নিয়ম আছে আমরা যৌথ ভাবে কোরবানি দেওয়ার সময় যদি কারো নিয়ত একটু ভুল হয় তাহলে কোরবানি হবে না।সকলের নিয়ত এক হতে হবে সকলকে আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য কোরবানি দিতে হবে কেউ যদি গোস্ত খাওয়ার জন্য বা নিজের সুনামের জন্য যদি সবাইকে বলে বেড়ায় সবথেকে ভালো গরু আমাদের বা আমি সব থেকে বড় গরু দিয়েছি এরকম চিন্তা ভাবনা থাকলে কোরবানি হবে না । ওভাবে কোরবানি দেওয়ার সময় কারো অর্থে হারাম থাকলে সে অর্থ দিয়ে পশু ক্রয় করে কোরবানি হবে না সবার হালাল রুজি থাকতে হবে । সুদ ঘুষ হারাম টাকা দিয়ে কোরবানি হবেনা।

সর্বনিম্ন কত টাকা থাকলে কোরবানি দিতে হবে 

আমরা অনেকে জানি না আমাদের কাছে কতটুকু সম্পদ থাকলে কোরবানি দিতে হবে। আপনার কাছে যদি ৫৯৫ গ্রাম রুপা সমপরিমাণ অর্থ থাকলে আপনার ওপর কোরবানি জায়েজ। এটা ধরতে গেলে চল্লিশ বা পঞ্চাশ হাজার টাকার কাছাকাছি যদি আপনার সম্পদ থেকে থাকে তাহলে আপনাকে  কোরবানি দিতে হবে । আপনার যদি কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য থাকে তাহলে আপনি কোরবান দিতে পারেন ।

কোরবানির পশু কেমন হবে 

পশু কোরবানি দেওয়ার আগে আপনাকে দুইটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে।

পশুটি দৈহিকভাবে ত্রুটিমুক্ত কিনা পশুর অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সুস্থ আছে কিনা দুই বিষয় হচ্ছে পশুর বয়স সম্পর্কে আপনার জানতে হবে যেকোনো বয়সের পশু দিয়ে কোরবানি করা যায় না। প্রথম হচ্ছে বাহ্যিক ত্রুটিমুক্ত হওয়া রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন এমন পশুদের কোরবানি হবে না যেটি সুস্পষ্টভাবে অন্ধ যে পশু অন্ধ কানা চোখে দেখতে পায় না এমন পশু দিয়ে কোরবানি হবে না । কোন খোরা পশু দিয়ে কোরবানি হবেনা যে পশুর ল্যাংড়া চলতে পারে যেখানে কোরবানি হবে সে জায়গা পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না বা মাঠে থেকে বাড়িতে হেঁটে আসতে পারে না এমন পশু দিয়ে কোরবানি হবে না।

অনেক বয়স্ক পশু দিয়ে কোরবানি হবে না শরীরের হাড্ডি ভেতরে মোজ্জা শুকিয়ে গেছে এমন পশুর দ্বারা কোরবানি হবে না ।যে পশু খুবই অসুস্থ তার পশুর শরীরের অবস্থা একদমই খারাপ এমন পশুর দ্বারা কোরবানি হবে না । এক হাদীসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন যে প্রাণীর কানকাটা শিং ভাঙা এমন পশু দিয়ে কোরবানি করা যাবে না। আরেকটি হাদিসে এসেছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন পশুর কানের সামনের অংশ কাটা পেছনের অংশ কাটা বা কানকাটা অথবা কানের মাঝখানে কাটা দুদিকে কান ঝুলে আছে বা কানে ছিদ্র রয়েছে আঘাত পেয়ে ছিদ্র হয়ে গেছে অথবা নাক কাটা এমন পশু তারা কোরবানি করলে কোরবানি আদায় হবে না। 

কুরবানীর পশুর বয়স কত হতে হবে

আপনাকে পশুর বয়স খেয়াল রাখতে হবে । কোরবানির পশুর নির্ধারিত একটি বয়স সীমা আছে।

১ উট 🐫 কমপক্ষে পাঁচ বছর বয়স হতে হবে ।

২ গরু বা মহিষ কমপক্ষে দুই বছর বয়স হতে হবে ।

৩ এবং ছাগলের কমপক্ষে এক বছর হতে হবে ।

বিস্তারিত 

( কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম ) কোরবানির পশুর বয়স  পশু কোরবানি করতে হবে এক্ষেত্রে আপনি পশুর দাঁত দেখে তার বয়স নির্ধারিত করতে পারেন । এখানে ভেড়া মেষ দুম্বা এগুলো ছয় মাসের হলেও যদি শরীর পশুর স্বাস্থ্য ঠিক থাকে তাহলে কোরবানি করা যাবে ।

অনলাইনে পশু ক্রয় করার ক্ষেত্রে আপনাকে দুইটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে পশুভ বাহ্যিক কিনা এবং পশুর বয়স নির্ধারিত করে অসুখ ক্রয় করতে হবে আপনি পশু নিখুঁত কাটার দাগ ছাড়া সুস্থ পশু ক্রয় করতে হবে । এ বিষয়গুলো দেখে আপনি কোরবানির পশু ও ক্রয় করবেন।

কোরবানি না করলে কি হবে 

কোরবানির সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কেউ কোরবানি না দিলে কি হবে তার কোন বড় ধরনের গুনাহ হবে কিনা সম্পূর্ণ তথ্য পড়ুন । সৌদি আরবের বিশেষজ্ঞ ওলামা একরাম তাদের এক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি ভিন্নরকম তারা মনে করে কোরবানি এটা একটি বিশেষ সুন্নাহ যার কারণে কারো কোরবানি করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না করলে তাহলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নহ তরহ করলেন কিন্তু তিনি বড় ধরনের কোন গুনহা করলেন না ।

যেমনটা আমাদের দেশের ওলামা একরাম মনে করেন ওয়াজিব তরফ করার সামর্থ্যবান ব্যক্তি কোরবানী না দিলে এক হাদীসে এসেছে নবী রাসুল সাঃ বলেছেন কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না করলে সে যেন ঈদগাহ ময়দানে না আসে । এখান থেকে বোঝা যায় নবী রাসূল সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বলেছেন সামর্থক থাকলে কোরবানি করতে হবে।

এখন দুটির আলোকে সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কোরবানি না করা অনুচিত কিন্তু যারা কোরবানিতে সুন্নাহ মনে করে এটিও সঠিক হিসাবে বিবেচিত সৌদি আরবের বিশেষজ্ঞ কোরবানিতে সুন্নাহ বলেছে। তাই এখন আপনি যদি কোরবানি সুন্নাহ মনে করে কোরবানি নাও করেন সমস্যা থাকা সত্ত্বেও তাহলে আপনার বিশেষ বড় ধরনের গুনাহ হবে না কিন্তু বিশেষ সুন্নাহ আপনি তরহ করলেন।

কোরবানির পশু জবাই করার দোয়া

আরবি

اَللَّهُمَّ إِنِّي وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِي فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ عَلَى مِلَّةِ اِبْرَاهِيْمَ حَنِيفًا وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ – إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ – لَا شَرِيكَ لَهُ وَبِذَٰلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِينَ – بِسْمِ اللهِ اَللهُ اِكِبَر – اَللَّهُمَّ مِنْكَ وَ لَكَ

বাংলা উচ্চারণ

ইন্নি ওয়াঝঝাহতু ওয়াঝহিয়া লিল্লাজি ফাতারাস সামাওয়াতি ওয়াল আরদা আলা মিল্লাতি ইবরাহিমা হানিফাও ওয়া মা আনা মিনাল মুশরিকিন। ইন্না সালাতি ওয়া নুসুকি ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতি লিল্লাহি রাব্বিল আলামিন। লা শারিকা লাহু ওয়া বি-জালিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমিন। বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার, আল্লাহুম্মা মিনকা ও লাকা।

কুরবানী

( কোরবানি দেওয়ার সঠিক নিয়ম ) আমাদের দেওয়া এই সকল তথ্যগুলো আমরা বাংলাদেশের বিশেষ আলেম দের বক্তব্যের  অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। আমাদের দেওয়া তথ্যগুলো সম্পূর্ণ সঠিক কারন আমরা বাংলাদেশের সব থেকে বিশেষজ্ঞ ও জনপ্রিয় আলেমদের বক্তব্য থেকে সংগ্রহ করেছি। আশা করি আপনি কোরবানি সম্পর্কিত সকল তথ্য পেয়ে গেছেন । নিশ্চয়ই আপনার আমাদের এই পোস্ট থেকে উপকার হয়েছে। 

নোটঃ আমাদের ভুল ত্রুটি থাকতে পারে দোয়া করে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন ( https://allsiminfo.com/) ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button
error: